
এক রুদ্ধশ্বাস সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি এই চাঞ্চল্যকর খবরটি নিশ্চিত করেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোরে তেহরানে নিজ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামক একটি যৌথ অভিযানে তিনি প্রাণ হারান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিশেষ বাহিনী এই অভিযানটি পরিচালনা করে।
বিবিসি নিউজের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণেও তেহরানের ‘লিডারশিপ হাউস’ কমপ্লেক্সে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা খামেনির প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত।
এই ঘটনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ একটি পোস্টের মাধ্যমে অভিযানের সফলতা নিশ্চিত করেন। তিনি খামেনিকে “ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন:
“খামেনি ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলো। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়াতে পারেননি তিনি।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানি বাহিনীর (আইআরজিসি ও পুলিশ) অনেক সদস্যই এখন আর যুদ্ধ করতে আগ্রহী নন এবং তারা দায়মুক্তির আবেদন করছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে তারা ইমিউনিটি পাবে, নতুবা তাদের পরিণতি হবে ভয়াবহ।
দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি আপনার সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে (মার্চ ২০২৬) বৈশ্বিক বাস্তবতায় এই ধরনের কোনো ঘটনার সত্যতা যাচাইযোগ্য নয়। এটি একটি কাল্পনিক বা ইউজার-প্রদত্ত সিনারিও হিসেবে সাজানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন