
-ড.ওস্তাদ ওয়াহিদ মুরাদ
সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী
আইডিয়াল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড (ICL) সমিতির এমডি ও চেয়ারম্যান গ্রাহকদের ধোঁকা দিয়ে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছেন।২০০৩ ইং সালেযাত্রা শুরু করে ২০২২ ইং সালে কার্যক্রম বন্ধ হয় আইসিএল এর।প্রতিষ্ঠানটির কর্নধাররা মাঠ পর্যায়ে এজেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে আমানত সংগ্রহ ও ক্ষুদ্র ঋন প্রকল্প চালু করেছিল।একাধিক এজেন্টদের দাবী তারা জীবন জীবিকা নির্বাহের জন্য চাকুরীরত ছিল এমনকি তারা উক্ত প্রতিষ্ঠানে অর্থ বিনিয়োগ করেছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তারা মামলা হামলা ও হয়রানির স্বীকার হন।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে কোন এজেন্ট এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে তা তদ্ন্ত ও আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ হওয়া উচিত।আইসিএল এর কেলেঙ্কারির প্রভাব এখনো কাটেনি একদিকে ভুক্তভোগী সাধারন গ্রাহকরা তাদের অর্থ ফেরতের অপেক্ষায় অন্যদিকে চাকুরী হারানো দরিদ্র ও এজেন্টরা তাদের সঞ্চিত অর্থ ফেরত সহ তাদের বিরুদ্ধে হামলা মামলা সামাজিক বঞ্চনা ও নিরাপত্তা হীনতা থেকে মুক্তির প্রত্যাশায়।তাই অনতিবিলম্বে প্রতারক দুর্নীতিবাজ এমডি চেয়ারম্যান সহ তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল মদৎ দাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রসাষন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সুদৃষ্টি সকলের কাম্য।

মন্তব্য করুন